মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

হরিপুর ইউনিয়নের ইতিহাস

হরিপুর ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় হাট হচ্ছে ‘হরিপুরের জমিদার বাড়ি’।প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক প্রমথ চেৌধুরীর পূর্ব পুরুষগন ছিলেন জমিদার।প্রমথ চেৌধুরীর সাত ভাই এক বোন সবাই ব্যরেষ্টারী পাশ করার জন্য প্রথম চেৌধুরীর মা কে রত্নাগর্ভা উপাধী দেওয়া হয়েছিল।তার বাবা ছিলেন দূর্গাদাস। তার বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত হয় হরিপুর দূর্গাদাস উচ্চ বিদ্যালয়। বর্তমানে এটি কলেজে উন্নীত হয়েছে।প্রমথ চেৌধুরীর পিতৃভুমিতে জমিদার বাড়ির ধ্বংশবশেষ আর কিছুই নাই শুধু মাত্র একটি দেবী মন্দীর ছাড়া। এখনও দুর দুরান্ন্ত থেকে বহু দর্শনার্থী আসে এই জমিদার বাড়ি দেখার জন্য।তাছাড়া হরিপুর হাট বহুপুরাতন ঐতিহ্য বহন করে আসছে। স্থানীয় জনসাধারণ তাদের উৎপাদিত ফসল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি এই হাটেই ক্রয়-বিক্রয় করেন। এখানকার শিক্ষিতের হার পূর্বে অনেক কম হলেও এখন ধীরে ধীরে তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউনিয়নের প্রতিটি পরিবারের প্রতিটি শিশুকে বিদ্যালয়মূখী করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ হতে বিশেষ তৎপরতা ও কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই ইউনিয়নের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে পড়াশুনার মান বেশ ভাল। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরীক্ষার্থী প্রতি বছর পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের সাক্ষর রাখে। ইউনিয়নটি চাটমোহর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় উচ্চ শিক্ষার জন্য মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক স্তর অতিক্রম করার পর ছাত্র-ছাত্রীরা শহরমূখী হয়ে পড়ে। এই ইউনিয়নবাসী নিজেদের কৃষ্টি ও কালচার ধরে রাখার জন্য অবিরাম কাজ করে চলেছে। ইউনিয়ন পরিষদের নিরলস প্রচেষ্টায় অপসংস্কৃতিক কুপ্রভাব এখনো ইউনিয়নবাসীকে আক্রান্ত করতে পারেনি। নতুন নতুন শিল্প কারখান গড়ে তুলে এ এলাকাবাসীর কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে এ জনপদকে সমৃদ্ধ করা এখন গণদাবীতে পরিণত হয়েছে।


Share with :

Facebook Twitter